ঢাকা বৃহস্পতিবার, জুন ১৩, ২০২৪

Popular bangla online news portal

Janata Bank
Rupalibank

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের পিচ নিয়ে ‘কিউরেটরও কনফিউজড’


নিউজ ডেস্ক
৭:৩৮ - রবিবার, জুন ৯, ২০২৪
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের পিচ নিয়ে ‘কিউরেটরও কনফিউজড’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরু থেকেই নিউইয়র্ক নাসাউ স্টেডিয়ামের পিচ নিয়ে বিতর্ক চলছে। ড্রপ-ইন পিচ বসানোর পর খেলার জন্য প্রস্তুত হতে সময় লাগে, অভিযোগ উঠেছে তার আগেই বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজনের। এই পিচে ভারত–পাকিস্তান রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে আজ (রোববার) রাতে মুখোমুখি হবে। তার আগে চলছে পিচ নিয়ে কাটাছেঁড়া বিশ্লেষণ। নিউইয়র্কের পিচ নিয়ে স্বয়ং কিউরেটরও বিভ্রান্তিতে আছেন বলে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা।

এর আগে ভারত নিজেদের প্রথম ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে এই পিচেই খেলেছিল। যেখানে কোনো বল অনেক নিচু, আবার কোনোটিতে অস্বাভাবিক বাউন্স উঠতে দেখা যায়। তেমনই একটি বাউন্সার রোহিতের কাঁধে আঘাত করায়, তিনি ফিফটি করার পর বেশিক্ষণ ব্যাট করতে পারেননি। ক্রিজ ছেড়ে যান রিটায়ার্ড আউট হয়ে। এ ছাড়া ভারতের জয় নিশ্চিত করা রিশাভ পান্তও পিচে বলের এমন অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণে নাজেহাল হয়েছিলেন। যা নিয়ে বেশ সমালোচনা করেছেন ভারতের সাবেক তারকা থেকে শুরু করে ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।

নিউইয়র্কে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা-শ্রীলঙ্কা। প্রথমে ব্যাট করে মাত্র ৭৭ রানেই গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস। যদিও ৭৮ রান তাড়া করতেই ঘাম ছুটে যায় প্রোটিয়াদের। পরবর্তীতে একই ভেন্যুতে ভারতের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ড মাত্র ৯৬ রানেই গুটিয়ে গিয়েছিল। এমন অবস্থায় ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি উঠলে সেটি সম্ভব নয় জানিয়ে আইসিসি বলেছিল, পরবর্তী ম্যাচগুলোতে সেরা পিচ দিতে বদ্ধপরিকর তারা। এমনকি পিচের উন্নতিতে মাঠকর্মীদের নির্দেশনাও দিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

যদিও পরিস্থিতি বেশি পাল্টায়নি। আইসিসির দেওয়া আশ্বাসের পর নেদারল্যান্ডস গতকাল মাত্র ১০৩ করেছিল। সেই রানতাড়ায় বেশ সংগ্রাম করতে হয়েছে প্রোটিয়াদের, জয় এসেছে ১৯তম ওভারে। নাসাউয়ের পিচ নিয়ে গতকাল প্রশ্ন উঠেছিল ভারতীয় দলের সংবাদ সম্মেলনে। এ সময় অধিনায়ক রোহিত বলেন, ‘নিউইয়র্ক তো আমাদের ঘরের মাঠ নয়। আমরা এখানে দুটো ম্যাচ খেলেছি। তবুও এখানকার পিচ নিয়ে খুব বেশি ধারণা নেই। একেক দিন একেক রকম আচরণ করছে পিচ। এমনকি পিচ কিউরেটরও কনফিউজ। এর থেকেই বোঝা যায়, আমাদের অবস্থাটা কিরকম। আমরা এখনও জানি না, পাকিস্তানের বিপক্ষে কোন পিচটায় খেলা হবে। তবে এটুকু বলতে পারি যে দল ভালো খেলবে এবং আমরাই জিতব।’

ভারতীয় দলের ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোরও এই পিচে ব্যাটিং করা চ্যালেঞ্জিং বলে জানান, ‘এই উইকেটটা বেশ চ্যালেঞ্জিং। বিশেষ করে ব্যাটিং করাটা বেশ কষ্টকর, এখন পর্যন্ত আমরা সেটাই দেখেছি। তবে আমাদের এই উইকেটেও রান করার উপায় খুঁজে বের করতে হবে। আমাদের দলে স্কিলের কোনো অভাব নেই, অভিজ্ঞতারও কোনো অভাব নেই ব্যাটিংয়ে। বিশেষ করে এই ধরনের উইকেটে খেলতে আমাদের ব্যাটাররা সিদ্ধহস্ত। যেকোনো ধরনের উইকেটে ভালো ব্যাট করার মতো একাধিক ব্যাটার আমাদের দলে রয়েছে। আমি মনে করি বছরের পর বছর ধরে এটাই আমাদের দলের সবচেয়ে বড় শক্তি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভিন্ন পরিস্থিতির সঙ্গে আমরা খুব সহজেই মানিয়ে নিতে পারি। আগেও এটা আমরা প্রমাণ করেছি। এখন ফের আমরা এটা প্রমাণ করব। আমার মতে নিউইয়র্কের উইকেটে আমাদের মানিয়ে নিতে অসুবিধা হবে না। তবে আমাদের এই উইকেট নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করলে চলবে না। মানিয়ে নিয়ে এই উইকেটেই আমাদের প্রতিপক্ষ বোলারদের মোকাবিলা করতে হবে। আমাদের প্রত্যেকেই ভালো ব্যাটিং করছে। ফলে ব্যাটিং কোচ হিসেবে আমার আলাদা করে কোনো চিন্তা নেই।’