ঢাকা শুক্রবার, জানুয়ারী ২৭, ২০২৩

Popular bangla online news portal

আ'লীগ নেতা মির্জা শামীমের শীতবস্ত্র পেল লক্ষ্মীপুরে ৫ হাজার শীতার্ত মানুষ


নিউজ ডেস্ক
১৭:৪৭ - শুক্রবার, জানুয়ারী ২০, ২০২৩
আ'লীগ নেতা মির্জা শামীমের শীতবস্ত্র পেল লক্ষ্মীপুরে ৫ হাজার শীতার্ত মানুষ

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ইস্কান্দার মির্জা শামীম তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের পক্ষ থেকে লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে মেঘনার নদীর তীরবর্তী এলাকায় ৫ হাজার শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করেন।

শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) দুপুর ১২ টার দিকে চরগাজী ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে এ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। 

শীতবস্ত্র বিতরণে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার আওয়ামী লীগের সভাপতি হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী, জেলা পরিষদের সদস্য মো. আলমগীর হোসেন, মামুন বিন জাকারিয়া, রামগতি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওহিদ, প্রচার সম্পাদক মজিবুল করিম বিপ্লব, চরগাজী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাহিদুল ইসলাম সুমন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন ও জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাঈন উদ্দিন ইপ্তিসহ প্রমুখ।

ইস্কান্দার মির্জা শামীম পারিবারিক ভাবে আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান। ছাত্র জীবন থেকে তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। স্কুল ছাত্রলীগের সভাপতির মাধ্যমে তার রাজনৈতিক পথ চলা শুরু। সরকারি মুজিব কলেজে ছাত্রলীগের দ্বায়িত্বে থেকে তখনকার সময় নানা হামলা মামলা পেরিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে ভর্তি হয়। সেখানেও থেমে ছিলো না রাজনৈতিক পথ চলা। আওয়ামী লীগের নানা কর্মসূচিতে তিনি রেখেছিলেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। সেখান থেকে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের’র হাত ধরে যখন দলের একেবারে দূঃসময় ছিল তখন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দ্বায়িত্ব পান। ১৯৯৬ সালের জনতার মঞ্চ আন্দোলনে ইস্কান্দার মির্জা শামীম প্রথম সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেন। যে আন্দোলনে বিএনপির পতন হয়েছিলো। ২০০১ এর দলের দূঃসময় তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে বিএনপি জামাতের দ্বারা বার বার হামলার শীকার হয়েছেন। কিন্তু দমে যায় নি। শামসূন নাহার হলে পুলিশি হামলায় আন্দোলনে , শেখ হাসিনা মুক্তি আন্দোলনে ওয়ান ইলেভেনসহ অসংখ্য আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। এছাড়াও দলের দূঃসময়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের’র সর্বাক্ষণিক পাশে থেকে তিনি কাজ করেছেন। সকল জাতীয় নির্বাচনে তিনি প্রথম সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেন। আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে থেকে তিনি বেশ কয়েকবার কারাবরণ করেন। এভাবে দির্ঘ্য ৩৫ বছর ধরে আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় ভাবে ছিলেন। কর্মদক্ষতার পরিচয় দিয়ে ইস্কান্দার মির্জা শামীম কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ উপ কমিটির সহ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ দপ্তর উপ কমিটির সদস্য ও সর্বশেষ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন। 

শুধু রাজনীতি নয়, সামাজিক কর্মকাণ্ডেও ব্যপক অবদান রাখছেন ইস্কান্দার মির্জা শামীম। করোনা পরিস্থিতিতে যখন লকডাউনের পর সাধারণ মানুষরা কর্মহীন ও অসহায় হয়ে পড়ে ঠিক তখন তিনি তার নিজ জন্মস্থান নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে অসহায় মানুষের মাঝে দফায় দফায় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।  টানা ১ মাস ধরে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে গোপনে কয়েক হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্য ও নগদ অর্থ বিতরণ করেন। এখানেই শেষ নয়, যখন মৌসমের শেষ প্রান্তে এসে কৃষকরা মাঠের ফসল পাকা ধান কাটা নিয়ে বিপাকে পড়েন, ঠিক তখন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি নিজে মাঠে নেমে পড়েন এবং সাধারণ কৃষকদের কয়েক’শ বিঘা জমির পাঁকা ধান কেটে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।  

ইস্কান্দার মির্জা শামীম বর্তমানে বামনী ডিগ্রী কলেজের দাতা সদস্য; জাতীয় ঈদগাহ, পেশকারহাট, কোম্পানীগঞ্জ এর সভাপতি; অর্থনীতি এলামনাই এসোসিয়েশন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এর সভাপতি ;মোহাম্মদীয়া জামে মসজিদ, কোম্পানীগঞ্জ, নোয়াখালী এর সভাপতি এবং নোয়াখালী জেলা সমিতির আজীবন সদস্য।