ঢাকা বুধবার, অক্টোবর ৫, ২০২২

Popular bangla online news portal

গাজী মাজহারুল আনোয়ার বাংলাদেশের একজন ‘কিংবদন্তি’


নিউজ ডেস্ক
৮:৪৩ - রবিবার, সেপ্টেম্বর ৪, ২০২২
গাজী মাজহারুল আনোয়ার বাংলাদেশের একজন ‘কিংবদন্তি’

গাজী মাজহারুল আনোয়ার বাংলাদেশের একজন ‘কিংবদন্তি’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (৪ সেপ্টেম্বর) গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে বিএনপি মহাসচিব এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, গাজী মাজহারুল আনোয়ারকে শুধু গীতিকার বললে ভুল বলা হবে, তিনি দেশের একজন কিংবদন্তি। একজন সৃজনশীল শিল্পী, যার কলমে এদেশে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য অসাধারণ গান, কবিতা। আমি কিছুটা আবেগ আপ্লুত। তার সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। তিনি চলে গেছেন আমি ঠিক মেনে নিতে পারছি না। আমরা একজন অসাধারণ মেধাবী মানুষকে হারালাম।

গাজী মাজহারুলের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আল্লাহ যেন তাকে বেহেশত নসিব করেন। তার পরিবারবর্গ ও তার অসংখ্য গুণগ্রাহী মানুষকে যেন এই শোক সহ্য করার শক্তি দেন।

এই শিল্পীর গান মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে তার গান ছিল আমাদের কাছে সবচেয়ে অনুপ্রেরণার। পরবর্তী সময়গুলোতে তিনি হাজার হাজার গান লিখেছেন। আমরা জানি, বিবিসির যে রেকর্ড সেই রেকর্ডেও তিনি হচ্ছেন সেই মহান শিল্পী, সেই মহান লেখক, গীতিকার। তিনি সবচেয়ে বেশি গান বাংলা ভাষায় লিখেছেন।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, গাজী মাজহারুল আনোয়ারকে বেগম খালেদা জিয়া খুব পছন্দ করতেন। তার মৃত্যুতে তিনি অনেক কষ্ট পেয়েছেন।

রোববার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টা ৫৫ মিনিটে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান গাজী মাজহারুল আনোয়ার। তার খবর পাওয়ার পর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে ছুটে আসেন বিএনপি মহাসচিব। এসময়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, জাসাসের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন রোকন ও বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খানসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

গাজী মাজহারুল আনোয়ার মৃত্যুকালে স্ত্রী জোহরা গাজী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মেয়ে দিঠি রহমান যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। তিনি বিকেলে দুবাই হয়ে দেশে ফিরবেন।

এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য অধ্যাপক মামুন আহমেদ জানান, বরেণ্য শিল্পী গাজী মাজহারুল আনোয়ারকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতির জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে আবেদন করা হয়েছে।