• ঢাকা
  • শনিবার, ২২শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২৮ নভেম্বর, ২০২১
সর্বশেষ আপডেট : ২৮ নভেম্বর, ২০২১

সাইকেল চালিয়ে হাসপাতালে পৌঁছে সন্তান জন্ম দিলেন নারী এমপি

অনলাইন ডেস্ক

নিজেই সাইকেল চালিয়ে হাসপাতালে গিয়ে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের এক নারী আইনপ্রণেতা। রোববার (২৮ নভেম্বর) মধ্যরাতে তিনি সাইকেল নিয়ে নিজে নিজেই হাসপাতলে পৌঁছে যান। রোববার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

বার্তাসংস্থাটি বলছে, নিউজিল্যান্ডের পার্লামেন্টের নারী ওই আইনপ্রণেতার নাম জুলি অ্যান জেনটার। তিনি দেশটির গ্রিন পার্টির একজন এমপি। হাসপাতালে পৌঁছানোর এক ঘণ্টা পর তিনি কন্যা সন্তানের মা হন।

এদিকে সন্তান জন্ম দেওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সেই খবর নিজেই প্রকাশ করেন নিউজিল্যান্ডের গ্রিন পার্টির এই রাজনীতিক। সন্তান প্রসবের কয়েক ঘণ্টা পর সেটিকে ‘বিগ নিউজ!’ (বড় খবর) বলে উল্লেখ করে জুলি অ্যান জেনটার জানান, ‘আজ ভোর ৩টা ৪ মিনিটে আমরা আমাদের পরিবারের সবচেয়ে নতুন সদস্যকে পেয়েছি। আমি সত্যিকার অর্থেই সাইকেল চালিয়ে হাসপাতালে আসার পরিকল্পনা করিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটিই হয়েছে।’

৫০ লাখ জনসংখ্যার দেশ নিউজিল্যান্ডের রাজনীতিকদের সাধারণ জীবন-যাপনের সুখ্যাতি রয়েছে। সন্তান জন্ম দেওয়ার কারণে সম্প্রতি দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে মাতৃত্বকালীন ছুটি নিয়েছিলেন কিউই প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন। এমনকি নিজের তিনমাস বয়সী শিশু সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি। কারণ সেসময় তিনি তার সন্তানকে বুকের দুধ পান করাতেন।

রোববার সন্তান জন্ম দেওয়ার পর আইনপ্রণেতা জুলি অ্যান জেনটার জানান, ‘আমরা খুবই স্বাস্থ্যবান এবং হাস্যোজ্জ্বল শিশ পেয়েছি। সে ঠিক তার বাবার মতো হয়েছে এবং এখন ঘুমাচ্ছে।’

নিউজিল্যান্ডের নারী এই আইনপ্রণেতা একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রেরও নাগরিক। তিনি মার্কিন অঙ্গরাজ্য মিনেসোটায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। পরে ২০০৬ সালে তিনি প্রশান্ত মহাসাগরীয় এই দেশটিতে চলে যান।

তবে বাইসাইকেল চালিয়ে হাসপাতালে গিয়ে শিশু জন্ম দেওয়ার ঘটনা নিউজিল্যান্ডের নারী এই আইনপ্রণেতার জন্য প্রথম নয়। এর আগে ২০১৮ সালে নিজের প্রথম সন্তান জন্মের সময়ও তিনি বাইসাইকেল চালিয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলেন এবং ভালোভাবেই প্রথম সন্তানকে পৃথিবীর আলোতে এনেছিলেন।

জুলি অ্যান জেনটারের ভাষায়, ‘আমি আমার বাইসাইকেলকে অনেক ভালোবাসি।’

আরও পড়ুন