• ঢাকা
  • রবিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর, ২০২১
সর্বশেষ আপডেট : ১৩ অক্টোবর, ২০২১

মাথাপিছু আয়ে ভারতের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক
[sharethis-inline-buttons]

নিজস্ব প্রতিবেদক: মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) অনেকটা এগিয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২১ সালে চলতি মূল্যে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি হবে ২ হাজার ১৩৮ দশমিক ৭৯৪ ডলার। একই সময়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতের মাথাপিছু জিডিপি হবে ২ হাজার ১১৬ দশমিক ৪৪৪ ডলার। দু দেশের তুলনায় পরপর দুই বছর ভারতকে পেছনে ফেলল বাংলাদেশ।

আইএমএফ মঙ্গলবার রাতে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক (ডব্লিউইও) প্রকাশ করেছে। তারা বলছে, এ বছর করোনার প্রভাব কাটিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রবৃদ্ধির হার বাড়বে। এর মধ্যে ভারতের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি হবে ৯ দশমিক ৫ শতাংশ আর বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। ভারতের প্রবৃদ্ধি বাড়লেও আগের বছর ভারতের অর্থনীতি সংকুচিত হয়েছিল ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। সে জন্য আবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছে বাংলাদেশের সামনে।

ঠিক এক বছর আগে আইএমএফ এবারের মতোই ডব্লিউইও প্রকাশ করে জানিয়েছিল, ২০২০ সালে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ, আর ভারতের প্রবৃদ্ধি কমে হবে ঋণাত্মক, অর্থাৎ (-) ১০ দশমিক ৩ শতাংশ। এর ফলে ২০২০ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি হবে ১ হাজার ৮৮৮ ডলার ও ভারতের হবে ১ হাজার ৮৭৭ ডলার। সুতরাং গতবার বাংলাদেশ ছিল ঠিক এক ডলারে এগিয়ে।

আইএমএফ অবশ্য এখন বলছে, ২০২০ সালে প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। তবে ভারতের সংকোচন হয়েছে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। ফলে শেষ পর্যন্ত তাদের হিসাবে ২০২০ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি দাঁড়ায় ১ হাজার ৯৬১ দশমিক ৬১৪ ডলার এবং ভারতের ১ হাজার ৯২৯ দশমিক ৬৭৭ ডলার। অর্থাৎ শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি বেশি হয়েছিল ৩১ দশমিক ৯৩৭ ডলার।

মূলত এবার রেকর্ড পরিমাণ প্রবৃদ্ধি অর্জন করার কথা বলা হলেও আগের বছরের উচ্চ ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধির প্রভাবেই এখনো পিছিয়ে আছে ভারত। এমনকি আগামী বছরও ভারত পিছিয়ে থাকবে বলে আইএমএফ মনে করে। চলতি বছরের পূর্বাভাসে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি বেশি হবে ২২ দশমিক ৩৫ ডলার।

মাথাপিছু জিডিপিতে বাংলাদেশ এগিয়ে গেলেও আকারের দিক থেকে ভারত বিশ্বের অন্যতম বড় অর্থনীতি। বাংলাদেশের তুলনায় ভারতের অর্থনীতি ১০ গুণ বড়। একটি দেশের নাগরিকেরা কতটুকু সম্পদশালী, সেটা বোঝার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো তাঁদের ক্রয়ক্ষমতা কতটুকু, তা নির্ধারণ করা। অর্থাৎ যে অর্থ আয় করেন, তা দিয়ে তিনি কী কী কিনতে পারেন। এ কারণেই বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিকে তুলনার জন্য ক্রয়ক্ষমতার সমতা বা পারচেজিং পাওয়ার প্যারিটির (পিপিপি) ভিত্তিতে জিডিপির আকার হিসাব করা হয়। আইএমএফের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে পিপিপির ভিত্তিতে জিডিপির হিসাবে বিশ্বে ভারতের অংশ ৭ দশমিক শূন্য ৩৯ শতাংশ, আর বাংলাদেশের অংশ মাত্র শূন্য দশমিক ৬৫৯ শতাংশ।

[sharethis-inline-buttons]

আরও পড়ুন