• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
সর্বশেষ আপডেট : ২ সেপ্টেম্বর, ২০২১

ক্ষমা চেয়ে পার পেলেন ব্যারিস্টার আশরাফ

অনলাইন ডেস্ক
[sharethis-inline-buttons]

প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ চেয়ে আদালত অবমাননাকর ফেসবুক পোস্ট দেওয়ার ঘটনায় নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. আশরাফুল ইসলাম আশরাফ।

বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চে তিনি লিখিতভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

আদালত তার নিঃশর্ত ক্ষমার আবেদন গ্রহণ করে আদালত অবমাননার রুল নিষ্পত্তি করে আদেশ দেন। একইসঙ্গে আইনপেশা থেকে তাকে বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করেছেন আদালত।

আদালতে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, ব্যারিস্টার মো. আশরাফুল ইসলাম আশরাফ তরুণ আইনজীবী। তার সামনে অনেক দূর যেতে হবে। তিনি ভুল বুঝতে পেরেছেন। তাকে ক্ষমা করে দিন।

আদালতে ব্যারিস্টার আশরাফের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আওসাফুর রহমান।

এর আগে গত ১৫ জুলাই প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ চেয়ে আদালত অবমাননাকর ফেসবুক পোস্ট দেওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. আশরাফুল ইসলামকে তলব করেন আপিল বিভাগ। ৮ আগস্ট তাকে হাজির হয়ে এ বিষয়ে তাকে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। একইসঙ্গে তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বিটিআরসিকে ব্লক করে রাখতে বলা হয়।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ৬ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। ওইদিন আদালতের আদেশ পড়ে শোনান আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী।

আদালত বলেছেন, ফেসবুকে এ ধরনের পোস্ট আদালতের প্রতি অনাস্থার সামিল। এটা আদালত অবমাননা। তিনি সুপ্রিম কোর্ট ও প্রধান বিচারপতিকে আঘাত করেছেন।

ওইদিন প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের ওই আইনজীবীর ফেসবুক পোস্ট আপিল বিভাগের নজরে আনেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।

অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতকে বলেন, মাই লর্ড একটি বিষয় আপনাদের নজরে আনতে চাই। একজন আইনজীবী প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। এরপর অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. আশরাফুল ইসলাম আশরাফের ফেসবুক পোস্ট পড়ে শোনান। ‘বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ চাই’ শিরোনামে ওই ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, কারণ যেখানে মাননীয় বিচারপতিগণ তাদের স্ব স্ব থাকার জায়গায় বসে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারতেন এবং পারেন কিন্তু প্রধান বিচারপতি মহোদয় সে ব্যবস্থা না করে, আইনজীবী এবং তাদের পরিবার-পরিজনকে জীবন-ধারনের চরম সংকটে পতিত করেছেন। অতএব, এই মহান দায়িত্বে থাকার কোনো উনার অধিকার নাই।

 

[sharethis-inline-buttons]

আরও পড়ুন