রাত পোহালেই ঈদুল আজহা। তাই স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উযাপান করতে কর্মস্থল ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে ছুটছে মানুষ। মঙ্গলবার(২০ জুলাই) সকাল থেকেই মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ছিল ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় আর যানবাহনের দীর্ঘ সারি। তবে বেলা গড়িয়ে সন্ধ্যা হলেও ফেরিঘাটে কমেনি ঘরমুখো যাত্রীর চাপ। ঘাট এলাকায় কয়েকশ যানবাহন নৌপথ পারাপারে অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছে ঘাট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সন্ধ্যা ৬টার দিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ৩ নম্বর ঘাট থেকে ঢাকামুখী সড়কের আরসিএল মোড় ছাড়িয়ে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন পর্যন্ত যানবাহনের দীর্ঘ সারি রয়েছে। ঢাকা, সাভার, আশুলিয়া, নবীনগর থেকে যাত্রীরা ঘাট এলাকায় আসছেন। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘাট এলাকা থেকে আধা কিলোমিটার আগেই বাস থেকে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে যাত্রীদের। পরে তারা হেটে লঞ্চ ও ফেরিঘাটে যাচ্ছেন। ঘাটের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ, বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তারা কাজ করে যাচ্ছেন।

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ২১টি যাত্রীবাহী লঞ্চ দিয়ে ঈদযাত্রার শেষ দিনে যাত্রী পারাপার করছে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ। তবে লঞ্চ ও ফেরিতে যাত্রীরা গাদাগাদি করে নদী পার হচ্ছেন। এতে উপেক্ষিত হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি। যে কারণে স্বস্তির ঈদযাত্রায় করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম (বাণিজ্য) মো. জিল্লুর রহমান জানান, সকাল থেকেই ঘাট এলাকায় ঘরমুখো যাত্রী ও যানবাহনের বেশ চাপ রয়েছে। ঈদে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যানবাহন ও ঘরমুখো মানুষ পাটুরিয়া হয়ে নির্বিঘ্নে নদী পারাপার হতে পারছে। নৌপথে ছোট বড় মিলে ১৬টি ফেরি চলাচল করছে। এবারের ঈদে ফেরিঘাট এলাকায় যানবাহন ও যাত্রী চাপ থাকলেও নৌপথ পারাপারে কোনো ভোগান্তি নেই।