ঘোড়াঘাটের এস কে বাজারের বাসিন্দা মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে নাজিবা। মেয়েটি হার্ট ফুটা এবং রক্ত সঞ্চালণ জটিলতায় আক্রান্ত। অপারেশনের জন্য লাগবে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা। বাবা জাহাঙ্গীর আলমের পক্ষে এত টাকা যোগানো কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।

জাহাঙ্গীর আলমের এমন পারিবারিক দুঃসময়ে পাশে এসেছেন এস কে বাজারের সংগ্রামী যুবক আব্দুল্লাহ । তিনি বিষয়টি যুব সমাজের মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছেন। ঘোড়াঘাটের সবচেয়ে বড় ফেসবুক গ্রুপ “আলোকিত ঘোড়াঘাাট”, ” হৃদয়ে ঘোড়াঘাট” ছড়িয়ে পড়লে সর্ব সাধারণ যুবক মেয়েটিকে সাহায্যর জন্য এগিয়ে আসেন।
২০ জুলাই ঘোড়াঘাট কে.সি পাইলট স্কুলে বেলা ২:৩০ মিনিটে “আলোকিত ঘোড়াঘাট”,” হৃদয়ে ঘোড়াঘাট” এবং ব্লাড ফাইটার্স একসাথে কাজ করার লক্ষ্য নিয়ে উপস্থিত হন। এবং নিজেদের মধ্যে মত বিনিময় করেন। সামাজের বিত্তশালীদের কাছে সাহায্যর হাত বাড়িয়ে দেন।

নাজিবা মামুনির বিষয়ে ঘোড়াঘাট পৌরসভার দু বারের সফল মেয়র আব্দুস সাত্তার মিলনের কাছে গেলে তিনি বলেন, হত দরিদ্র পরিবারের সন্তান নাজিবা মামুনির হার্টের দুটি ফুটা ধরা পড়েছে। এ দরিদ্র পরিবারের সন্তান কে অপারেশন করার জন্য চার লক্ষ টাকা প্রয়োজন। তার পরিবার এ টাকা সংগ্রহ করতে পারার মত অবস্থায় নেই, যার কারণে আমি নিজে ও পৌরসভার পক্ষ থেকে সহযোগিতা করছি। আমি তার অপারেশন এর জন্য মাননীয় সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক ও সমাজের বিত্তবান সকল মানুষ কে অনুরোধ জানাবো যে এ বাচ্চটির  অপারেশন করতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে এগিয়ে আসবেন।

ঘোড়াঘাট ইউনিয়ন পরিষদের দুবার বিজয়ী সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান ঘোড়াঘাট পৌরসভার আওয়ামী লীগ সভাপতি ইউনুস আলী মন্ডলের নিকট এ বিষয় নিয়ে উপস্থিত হলে তিনি বলেন, বাচ্চাটাকে দেখলাম, প্রতিবেশী সবাই মিলে বাচ্চাটিকে দেখলাম।সমাজের বিত্তবান লোকদের কে অনুরোধ করবো সবাই যাতে বাচ্চাটির মুখের দিকে তাকিয়ে এগিয়ে আসেন যতদূর পারেন,এ বিপদের মুহূর্তে সময় গুলিতে এগিয়ে আসুন। এছাড়াও তিনি বাচ্চাটিকে সাহায্য করার অঙ্গীকার ব্যাক্ত করেছেন।

নাজিবা মামুনির বাবার কাছে জানতে চাইলে সে কান্না বিজারিত কন্ঠে বলেন,
আমি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।আমার কোলে যে মেয়েটি দেখতে পাচ্ছেন, এ মেয়েটি আমার তৃতীয় কন্যা প্রায় ২ বছর বয়স। তার দুটি হার্ট ফুটা, এবং রক্ত সঞ্চালন বন্ধ, রগের জন্য রক্ত’টা বিচ্ছিন্ন রয়েছে, একটা রগের সাহায্য আমার মেয়েটি কোন রকম বেঁচে রয়েছে, আল্লাহ তা’আলা বাঁচিয়ে রেখছেন। অপারেশন করতে প্রায় চার লক্ষ টাকা প্রয়োজন, এ মুহুর্তে আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না, তাই আপানাদের মাঝে হাত বাড়িয়েছি, কিছু পাওয়ার জন্য, মেয়েটিকে বাঁচানোর জন্য। যতটুকু পারবেন সাহায্য করে আমার মেয়ে কে বাঁচাবেন, আমি সবাই কে দোয়া করবো।

নাজিবা মামুনির সাহায্যে এগিয়ে আসতে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে পারেন বিকাশ কিংবা নগদে

বিকাশ নাম্বার ও নগদঃ ০১৬ ৪৮২ ৩১৭ ০০
নজিবার বাবার নাম্বারঃ ০১৭ ৫৫৩ ৫৮৭ ৪৭