পারিবারিক কারণে মুশফিকুর রহিম চলে এসেছে দেশে,ইনজুরির কারণে মোস্তাফিজুর রহমান ও রয়েছে একাদশের বাহিরে। তবুও প্রথম ওয়ানডে তে দারুণ খেলে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয় তুলে নেয় টিম বাংলাদেশ।

রবিবার হারারে স্পোর্টস মাঠে দ্বিতীয় ওয়ানডে তে টসে হেরে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক বেন্ডন টেইলর। শুরুতে তাসকিনের ১ম ওভারের শেষ বলে প্রথম উইকেটের দেখা মেলে টিম টাইগারদের। মিরাজের করা ষষ্ঠ ওভারে মারুমনি ব্যাক্তিগত ১৩ রানে বোল্ট হলে বিপাকে পড়ে জিম্বাবুয়ে। দলকে সর্তক ভাবে এগিয়ে নিয়ে যায় অধিনায়ক বেন্ডন টেইলর। মোস্তাফিজের জায়গায় একাদশে সুযোগ পাওয়া আরেক তরুণ পেসার শরিফুলের পঁচিশ তম ওভারে অধিনায়ক টেইলর অদ্ভূত আউটের শিকার হলে মেরুদন্ড ভেঙ্গে পড়ে জিম্বাবুয়ে দলের। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করা
মাদিভেরির ব্যাক্তিগত ৫৬ রান এবং সিকান্দার রাজার কার্যকর ৩০ রানের ওপর ভর করে দুইশত টপকায় জিম্বাবুয়ে। শরিফুলের ক্যারিয়ারের সেরা বোলিংয়ের দিনে তাসকিন আহমেদ, সাকিব আল হাসানরাও ছিলো স্ব-প্রতিভ। সব মিলিয়ে জিম্বাবুয়েকে আড়াইশর আগেই আটকে রেখেছে টিম টাইগারর্স।

জিম্বাবুয়ের দেওয়া ২৪০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে এসে দারুণ সূচনা করে দুই ওপেনিং ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল এবং লিটন কুমার দাস। দলীয় ৩৯ রানে দশম ওভারে তামিমের ব্যাক্তিগত ২০ রানে জনিও লুকিওর বলে সিকান্দার রাজার কাছে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরে তামিম ইকবাল। ১৩ তম ওভারে গত ম্যাচে সেঞ্চুরি করা লিটন কুমার দাস ব্যাক্তিগত ২১ রানে নাগরাভার বলে আউট হলে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। চারে নেমে মিথুনের ব্যর্থতার পর পাঁচে নামা মোসাদ্দেক এর রান আউটে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে টিম টাইগার্রস। সাইলেন্ট কিলার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও তিনে নামা সাকিব আল হাসানের পার্টনারশীপ এ কিছুটা এগিয়ে গেলেও মাহমুদউল্লাহ ৩৫ বলে ২৬ রানে আউট হলে ম্যাচের চরম বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। মিডল অর্ডারে ব্যাটিং ব্যর্থতায় যখন ধুঁকতে ছিল বাংলাদেশ, তখনো আশার প্রদীপ হয়ে মাঠে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন সাকিব আল হাসান। মেহেদি হাসান মিরাজ,আফিফ হোসেন সাকিব আল হাসান কে সঙ্গ দিতে ব্যার্থ হলে অষ্টম উইকেটে মাঠে নামা মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন এর ৩৪ বলের ২৮ রানটি বাংলাদেশ কে জয়ের শিকড়ে পৌঁছে দেয়। ম্যাচের হয়ে সর্বোচ্চ ৯৬ রান ও ২ টি উইকেট শিকার করে ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ সাকিব আল হাসান। মিডল অর্ডারে এমন ব্যর্থতার পর, দেশের প্রাণ ভোমরা সাকিব আল হাসানের এমন নৈপুণ্যে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জয় করেন টিম বাংলাদেশ।