প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, চলমান কঠোর লকডাউন নিজের, পরিবারের ও অপরের জীবন রক্ষার্থে ঘরবন্দি থাকুন। বিশেষ প্রয়োজনে বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে।

রোববার (৪ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধের প্রথম ভ্যাকসিন হলো মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা এবং প্রয়োজন মতো সাবান দিয়ে হাত ধোয়া ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা।

টিকা প্রসঙ্গে বিএসএমএমইউ উপাচার্য বলেন, কোভিড-১৯ থেকে মানুষকে বাঁচাতে ভারত, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তৈরি টিকা বাংলাদেশের মানুষকে দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে এক কোটি ডোজেরও অধিক টিকা মানুষকে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন দেশ থেকে চাহিদা মতো টিকা প্রাপ্তির জোর তৎপরতা চলছে। দেশেও ভ্যাকসিন উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাই ভ্যাকসিন নিয়ে আর হতাশা নয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রচেষ্টায় দেশের অধিকাংশ মানুষকেই বিনামূল্যে ভ্যাকসিন প্রদান করা সম্ভব হবে।

শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ কোনো কোনো কেন্দ্রে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ প্রদানের কার্যক্রম চলছে। আশা করি, আগামী এক-দুই মাসের মধ্যেই চুক্তি অনুযায়ী অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনেকার টিকা পাওয়া যাবে। তখন অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনেকার টিকা প্রদানের কার্যক্রম পুরোদমে শুরু করা যাবে।

ফাইজারের টিকা নিলেন ৫২২ জন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কনভেনশন হলে রোববার ( ৪ জুলাই) করোনাভাইরাসের প্রথম ডোজের (ফাইজারের) টিকা নিয়েছেন ৫২২ জন এবং দ্বিতীয় ডোজের (অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনেকা) টিকা নিয়েছেন ৫৫ জন। এ নিয়ে রোববার পর্যন্ত ফাইজারের ১২৬০ জনসহ প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছেন ৪৯ হাজার ২৬০ জন। এছাড়াও দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছেন ৪৭ হাজার ৯৮৬ জন।