দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রকট কমতে থাকায় ভারতে বেড়েছে কর্মচাঞ্চল্য। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলেছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে কাজকর্ম। টানা অনেক দিন বাসায় থাকতে থাকতে মুটিয়ে গেছেন অনেকে। কেউ কেউ আবার ভেঙে পড়েছেন মানসিকভাবে। তাই শরীরচর্চার কেন্দ্র বা জিমে ভিড় বাড়ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, দুঃসহ এ সময়ে কাটিয়ে উঠতে শরীরচর্চা হতে পারে বড় হাতিয়ার।

ভারতীয় গণমাধ্যম এএনআইকে এক জিম কর্তৃপক্ষ জানায়, দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল কার্যক্রম-তাই জীবাণুনাশক স্প্রে করে শরীরচর্চা কেন্দ্র খুলে দেয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানায় তারা।

আবার অনেকে চলেও এসেছেন জিমে। কয়েক মাসের অচল অবস্থার আঁচ শরীরেও লেগেছে। তা সচল করতে চলছে পেশিশক্তি বাড়ানোর কাজ করছেন তারা।

জিমের এক ব্যক্তি জানান, আমরা সবকিছু স্যানিটাইজ করেছি। নির্দেশনা দিয়েছি, যারা ভ্যাকসিন নিয়েছেন তারাই যেন এখানে আসতে পারেন। ভ্যাকসিন গ্রহণের সনদও দেখা হচ্ছে।

মার্কেটের এক দোকানদার বলেন, কেনাকাটাতেও বেড়েছে ভিড়। মানুষজন আবার আগের মতো উপস্থিত হচ্ছেন বিপণিবিতানেও। অনেকেই আসছেন। সবাই এখন আগের চেয়ে বেশ সচেতন। এটা ভালো লক্ষণ।

ভিড় বেড়েছে সেলুনগুলোতেও। কোভিড ছড়ানোর ভয়ে দেশটির সেলুনগুলোতে এত দিন উপস্থিতি ছিল না। তবে এখন মানুষজন স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসছেন বলে জানান তারা।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, বুধবার (৯ জুন) সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে মারা গেছেন আরও ১০ হাজার ১৬৪ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৫৯ হাজার ১২৭ জন।

আক্রান্তে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত মোট সংক্রমিত হয়েছেন ২ কোটি ৯০ লাখ ৮৮ হাজার ১৭৬ জন এবং এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৫৫৭ জনের।