বিএনপির প্রথম সারির রাজনীতিবিদদের বেশির ভাগই ভাড়া করা রাজনীতিবিদ মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, তাদেরই একজন হচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম। তিনি বলেন, বিএনপি বাংলাদেশে খুনের রাজনীতি কায়েম করেছিল।

আজ রবিবার (৩০ মে) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে শুধু যুক্ত ছিল তা নয়, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে-বিদেশে পুর্নবিাসিত করেছিল, বিদেশি দূতাবাসে চাকরি দিয়েছিল, বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার না হওয়ার জন্য সংসদের ইনডেমনিটি বিল পাস করেছিল।

তিনি বলেন, জিয়া ক্ষমতা দখল করার পর ক্ষমতাকে নিষ্কটক করার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর হাজার হাজার জোয়ান ও অফিসারকে হত্যা করেছিল। দিনের পর দিন কারফিউ দিয়ে দেশে কাউফিউতন্ত্র কায়েম করেছিল, এরপরও জিয়া নিজে রক্ষা পাননি।

যে সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করে ক্ষমতা দখল করেছিলেন সেই সেনাবাহিনীর হাতেই হত্যার শিকার হন। এভাবে হত্যা করে নিজে রক্ষায় পায় না সেটার প্রমাণ হচ্ছে জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ড।

বিএনপির জন্ম ‘অবৈধভাবে’ উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপির যেসব রাজনীতিবিদ আজ উচ্চ গলায় কথা বলেন, এদের বেশির ভাগই জিয়াউর রহমানের ভাড়া করা রাজনীতিবিদ।

মির্জা ফখরুলের কথা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সকালে একবার সরকারের বিরুদ্ধে বিষেদগার করেন, বিকেলে একবার বিষেদগার করেন। আর বলেন কথা বলার কোনো অধিকার নেই। এটা হাস্যকর। সরকার ভয়ের রাজত্ব কয়েম করেছে বলে ফখরুল দাবি করেছেন।

বাংলাদেশে যেভাবে অবাধে মানুষ মত প্রকাশ কবছে এবং বিএনপির নেতারা যেভাবে সকাল, বিকেল, সন্ধ্যা বেলা সরকারের বিরুদ্ধে বিষেদগার করছে, দেশ-বিদেশ থেকে যেভাবে অনমূলক সমালোচনা করা এটি অন্য কোনো দেশে কতটুকু করা হয় সাংবাদিকরা ভালোভাবেই জানেন। এভাবে সমালোচনা কোনো দেশেই হয় না।

তিনি বলেন, বিএনপি বাংলাদেশে খুনের রাজনীতি কায়েম করেছিল। জিয়ার স্ত্রী খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকতে গ্রেনেড হামলা হয়েছে। বিএনপি নেতাদের বলবো বিষেদগারের রাজনীতি পরিহার করুন। অবশ্যই বিরোধীদল সরকারের সমালোচনা করবে কিন্তু যে ভাষায় যেভাবে অসত্য ভাষণ দিয়ে প্রতিনিয়ত সমালোচনা করা হয় এটি গণতান্ত্রিক রীতিনীতি বহির্ভূত।