ঈদের পরপরই আটকে থাকা পরীক্ষা( অর্নাস ১ম, ৩য় বর্ষ, মাস্টার্স শেষ বর্ষের) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবং এ সপ্তাহের মধ্যেই রুটিন প্রকাশ করা হবে। তবে সিলেবাস কমানো হবে না। বলে জানিয়েছেন সাত কলেজের ফোকাল পয়েন্ট প্রফেসর আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার। সোমবার সরকারি তিতুমীর কলেজ সাংবাদিক সমিতির আয়োজন ভার্চুয়াল এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, সাত কলেজের সমন্বয়ক ও ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার, তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আশরাফ হোসেন, দৈনিক যুগান্তরের সিনিয়র রিপোর্টার মুসতাক আহমেদ, তিতুমীর কলেজ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি শামিম হোসেন শিশির। এ সময় সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত সাত কলেজ প্রশাসনের দিকে নানান যৌক্তিক প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন।

সাত কলেজে সমন্বয় প্রফেসর আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার বলেন, করোনাকালীন সময়ে শুধু সাত কলেজেই নয় দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকার্যক্রমেই বাঁধার সৃষ্টি হয়েছে। তবুও সাত কলেজ প্রশাসন থেকে নানান ভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে সমস্যা কাটিয়ে উঠতে। ঈদের পর ক্যাম্পাস খুললে আস্তে আস্তে এ সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।
সাত কলেজের সময় কমিয়ে সেশন শেষ করা হবে বলেও তিনি জানান।

ঈদ পরর্বতি পরীক্ষার সময় কত নির্ধারণ করা হবে শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, যে পরীক্ষা গুলো ঈদের পরপরই হবে তাদের জন্য ২ঘন্ঠা করে সময় থাকবে। তবে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না যেহেতু করোনা পরিস্থিতি বিভিন্ন সময় পাল্টে যাচ্ছে। হুট করে তো আর ৪ ঘন্ঠায় ফিরে যাওয়া যায় না। অল্প সময়ে সেশন শেষ করা হলে নিদিষ্ট সিলেবাস কমানো হবে কিনা জিগ্যেস করলে তিনি বলেন, সিলেবাস কমানো হবে না। তবে শিক্ষার্থীদের সমস্যার বিষয় গুলো বিবেচনায় রাখা হবে।

ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আশরাফ হোসেন বলেন, করোনাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে চলমান পরীক্ষা গুলো নিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সাত কলেজ প্রশাসন। যেহেতু করোনা সংক্রমণের হার বাড়ছে ভবিষ্যতে কি ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে তা পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে। তবে সেশনজট কমাতে আমরা বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছি। আটকে থাকা পরীক্ষা গুলো অতি শিগগিরই নিয়ে নেয়া হবে।

করোনাকালিন সময়ে অল্পদিনে ফর্ম পূরণের নোটিশের আর্থিক ও যাতায়াতের সমস্যা নিয়ে তিতুমীর কলেজের এক শিক্ষার্থী প্রশ্ন করলে প্রফেসর আশরাফ হোসেন বলেন, করোনায় যেহেতু আমাদের সেশন লস হয়েছে সেক্ষেত্রে পরীক্ষার কার্যক্রম এগিয়ে নিতেই আমরা ফর্ম পূরণ কার্যক্রম শেষ করেছি। শিক্ষার্থীরা সব মিলিয়ে ২০ দিনের মতো সময় পেয়ে থাকে ফর্ম পূরণের জন্য। শিক্ষার্থীদের সাথে করোনায় যাতায়াত বা অন্যান্য সমস্যা না হয়ে সে বিষয় গুলোর দিকে খেয়াল রেখেই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকি।