তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ‘ওয়ালটন মেড ইন বাংলাদেশ পণ্যের প্রতি আস্থা সৃষ্টি করেছে। ৯০ শতাংশেরও বেশি মানুষ ওয়ালটনের পণ্য কিনছে। আমি নিজেও ওয়ালটন ল্যাপটপ ব্যবহার করছি। ওয়ালটন আমাদের গর্ব। বাংলাদেশেই শুধু নয়, ওয়ালটন বিশ্বজুড়ে সুনাম কুড়িয়েছে। আমার বিশ্বাস, ২০৪১ সালের মধ্যে ওয়ালটন ডিজি-টেক সারা বিশ্বে ডিজিটাল ইকোনমিতে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। এক্ষেত্রে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে।’

সোমবার (২৬ এপ্রিল, ২০২১) ‘ওয়ালটন ল্যাপটপ স্টে হোম অফার অ্যাট ওয়ালটন ই-প্লাজা’ শীর্ষক ভার্চুয়াল ডিক্লারেশন প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

করোনা সংক্রমণ থেকে ক্রেতাদের সুরক্ষিত রাখতে ‘অকারণে বাইরে নয়, ঘরে বসে পণ্য ক্রয়’ স্লোগানে এ ক্যাম্পেইন শুরু করল ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। এর আওতায় করোনা মহামারির ঝুঁকি এড়াতে ঘরে বসেই প্রতিষ্ঠানটির অনলাইন শপ ই-প্লাজা থেকে ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, অল-ইন-ওয়ান পিসি, মনিটরসহ বিভিন্ন এক্সেসরিজ কিনতে পারছেন গ্রাহক। পণ্যভেদে রয়েছে ২০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড়। অনলাইনে কেনা আইটি পণ্য যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে হোম ডেলিভারিসহ নানা সুবিধা দিচ্ছে ওয়ালটন।

ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস এম রেজাউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন একই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মঞ্জুরুল আলম এবং ওয়ালকার্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাবিহা জারিন অরণা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক আজিজুল হাকিম।

অনলাইন অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের এএমডি আবুল বাশার হাওলাদার, ডিএমডি নজরুল ইসলাম সরকার, ইভা রিজওয়ানা নিলু, এমদাদুল হক সরকার, হুমায়ূন কবীর ও আলমগীর আলম সরকার, ডিজিটাল প্রোডাক্টস ডিভিশনের সিইও লিয়াকত আলী, প্লাজা ট্রেডের সিইও মোহাম্মদ রায়হান, নির্বাহী পরিচালক এস এম জাহিদ হাসান, উদয় হাকিম, ফিরোজ আলম, জিনাত হাকিম, আদনান আফজাল প্রমুখ।

‘ওয়ালটন ল্যাপটপ স্টে হোম অফার’ উদ্যেগের মাধ্যমে করোনার ঝুঁকি এড়িয়ে মানুষ সহজেই প্রয়োজনীয় পণ্যটি কিনতে পারবেন, জানিয়ে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক আরও বলেন, ‘ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড প্রতিনিয়ত নতুন নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে। যার ফলে দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি সমৃদ্ধ হচ্ছে। তরুণ প্রজন্ম উদ্যেক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে পারছে। করোনার সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন নামকরা কোম্পানি যখন কর্মী ছাঁটাইয়ে বাধ্য হচ্ছে, তখন ওয়ালটন ৫ হাজার নতুন কর্মী নিয়োগ দিয়েছে, যা খুবই প্রশংসনীয়।’

প্রকৌশলী লিয়াকত আলী জানান, করোনা দুর্যোগের মধ্যে ঘরে বসেই গ্রাহক যাতে অনলাইনে ইপ্লাজা.ওয়ালটনবিডি.কম/কম্পিউটার (eplaza.waltonbd.com/computer) থেকে সব ধরনের ডিজিটাল ডিভাইস কিনতে পারেন, সেজন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পণ্যভেদে রয়েছে ২০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড়, ডিসকাউন্টসহ জিরো ইন্টারেস্টে ইএমআই (ইক্যুয়াল মান্থলি ইনস্টলমেন্ট) বিভিন্ন সুবিধা। ই-প্লাজা থেকে কেনা এসব পণ্যের মূল্য ক্যাশ অন ডেলিভারি, অনলাইন ব্যাংকিং (ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড) কিংবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের (নগদ/বিকাশ/রকেট) মাধ্যমে পরিশোধের সুযোগ আছে। থাকছে হোম ডেলিভারির সুবিধা।

উল্লেখ্য, বর্তমানে বাজারে আছে বিভিন্ন মডেলের ওয়ালটন ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, অল-ইন-ওয়ান পিসি, মনিটর, ট্যাবলেট পিসি, কিবোর্ড, মাউস, পেন ড্রাইভ, মেমোরি কার্ড, র‌্যাম, এসএসডি, এক্সটারনাল এসএসডি, ক্যাবল, ডিজিটাল রাইটিং প্যাড, ইয়ারফোন, ওয়াই-ফাই রাউটার, ইউপিএস, পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট, ইউএসবি হাব, স্পিকার ইত্যাদি। খুব শিগগিরই প্রিন্টার, ওয়েবক্যাম, নেটওয়ার্কিং সুইচ, প্রজেক্টর, পাওয়ার ব্যাংক ইত্যাদি পণ্য বাজারজাত করবে ওয়ালটন।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, করোনা দুর্যোগের মধ্যে অনলাইনের মাধ্যমে গ্রাহকদের তথ্য ও সেবা দিচ্ছে ওয়ালটন। পণ্য সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে জানতে ওয়ালটনের হটলাইন নম্বরে (১৬২৬৭ এবং ০৯৬১২৩১৬২৬৭) যোগাযোগ করা যাবে। পাশাপাশি, গ্রাহকরা ওয়ালটনের ওয়েবসাইট ওয়ালটনবিডি ডটকম (waltonbd.com) এবং অফিশিয়াল ফেসবুক পেইজ (https://www.facebook.com/waltoncomputer) ভিজিট করতে পারবেন।