দক্ষিণের জেলাগুলোতে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েই চলেছে ডায়রিয়া আক্রান্তের হার। এক সপ্তাহেই সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। আর এখন পর্যন্ত পটুয়াখালীতেই মারা গেছেন ৬ জন। আক্রান্তদের বাড়তি চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিল ধারণের জায়গা নেই। বেড ছাপিয়ে মেঝে এবং বারান্দাতেও ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর দেখা পাওয়া গেছে হাসপাতালটিতে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, গত কয়েক দিনে আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে ডায়রিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা। এ পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়েছেন দুই হাজারের বেশি রোগী।

প্রচণ্ড গরম, লবণাক্ত পানির ব্যবহার ও বাইরের খাবার খাওয়ার ফলে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বলে জানান পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন মো. জাহাঙ্গীর আলম সিপন।

এদিকে রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, বেড না থাকায় মেঝের নোংরা পরিবেশেই রাখতে হচ্ছে রোগীকে। এতে কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন অনেকে। এ ছাড়া সংকট দেখা দিয়েছে স্যালাইনেরও।

অবশ্য পর্যাপ্ত ওষুধ ও স্যালাইন মজুত থাকার কথা জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী।

পাশাপাশি আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

একই পরিস্থিতি ঝালকাঠিতেও। কোনোভাবেই কমছে না ডায়রিয়ার প্রকোপ। গত ৯ এপ্রিল থেকে  বুধবার (২১ এপ্রিল) সকাল পর্যন্ত সদর হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন অন্তত দেড় হাজার ডায়রিয়া রোগী। পর্যাপ্ত জনবলের অভাবে বাড়তি রোগীর চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।