ফরিদপুরের সালথায় লকডাউন চলাকালে ফুকরা বাজারে এসিল্যান্ডের এক সহকারীর লাঠিপেটাকে কেন্দ্র করে সালথা থানা ও উপজেলা পরিষদের সরকারি প্রায় সব অফিস ও বাসায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সালথা থানায় এজাহারভুক্ত ৮৮ জনের নাম ও অজ্ঞাত চারহাজার জনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন পুলিশের উপপরিদর্শক মো. মিজান।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামাল পাশা জানান, পুলিশের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই ঘটনায় আরো মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ পর্যন্ত দশজনকে আটক করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

উল্লেখ্য, গত সোমবার (৫ এপ্রিল) রাতে লকডাউনের প্রথম দিনে সরকারি নির্দেশনা পালন করতে গিয়ে জনতার সঙ্গে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও তার সহকারিদের ভুল-বোঝাবুঝি হয়। তর্কে-বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে স্থানীয়রা। একপর্যায়ে গুজব রটিয়ে উপজেলা পরিষদ, থানা ও উপজেলা চেয়ারম্যানের বাসভবনসহ বিভিন্ন অফিস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। পরে রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় ৫৮৮ রাউন্ড শটগানের গুলি, ৩২ রাউন্ড গ্যাস গান, ২২টি সাউন্ড গ্রেনেড এবং ৭৫ রাউন্ড রাইফেলের গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।