এবার ১০ মিটার উঁচু দৈত্যাকৃতির একটি পাপেট উন্মোচন করলো টোকিও অলিম্পিক আয়োজক কমিটি। ২০১১ সালে ভূমিকম্প ও সুনামিতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া জাপানের তিনটি অঞ্চলে এই পাপেট প্রদক্ষিণ করবে।

এদিকে, অস্ট্রেলিয়ান ক্রীড়াবিদরা তাদের অলিম্পিক দলের জার্সি উন্মোচন করেছে। করোনার মাঝে অলিম্পিক অংশ নেয়া অজি অ্যাথলিটদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। এমনটাই জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান দ্য মিশনের প্রধান ইয়ান চেস্টারম্যান।

বিশ্বজুড়ে করোনার প্রকোপ বেড়েই চলেছে। এর মাঝেই কোভিড নাইন্টিনকে গুরুত্ব দিয়ে অলিম্পিক আয়োজনে নিরলসভাবে কাজ করছে আয়োজকরা। জাপানে চলছে করোনা সংক্রমণের চতুর্থ ধাপ। সময়ের পরিক্রমায় সংক্রমণের হার পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। যদিও জাপানের অলিম্পিক আয়োজক কমিটি ঠিক সময়ে গেমস শুরু করতে বদ্ধপরিকর। তাই বলা যায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই ক্রীড়া আসর বাতিলের তেমন সম্ভাবনা নেই।

এরই মধ্যে জাপানের টচিগি শহরে এসে পৌঁছেছে অলিম্পিকের মশাল। এবার ১০ মিটার উঁচু এক দৈত্য আকৃতির পাপেট উন্মোচন করলো টোকিও অলিম্পিক আয়োজক কমিটি। পাপেটের নাম রাখা হয়েছে মক্কো। ২০১১ সালে ভূমিকম্প ও সুনামিতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া জাপানের তিনটি অঞ্চলে এই পাপেট প্রদক্ষিণ করবে। এই সফরটি নিপ্পন উৎসবের অন্যতম প্রধান অনুষ্ঠান। যা টোকিও অলিম্পিকের একটি অফিসিয়ালি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও।

এদিকে, অস্ট্রেলিয়ান ক্রীড়াবিদরা তাদের অলিম্পিক দলের জার্সি উন্মোচন করেছে। সেই সাথে দেরীতে হলেও, গেমসের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে অজি অ্যাথলিটরা। সিডনি অপেরা হাউজের সামনে, অস্ট্রেলিয়ান অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন শার্লট ক্যাসলিকের সঙ্গে ১০ জন অ্যাথলিট ফটোসেশনে অংশ নেন। গেমসে সামনে রেখে স্বাস্থ্যবিধির ওপর বেশ গুরুত্ব দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৩ জুলাই পর্দা উঠবে ” গ্রেটেস্ট শো অন আর্থের”।