ঢাকা বুধবার, অক্টোবর ৫, ২০২২

Popular bangla online news portal

শেরপুরে মৃত কুকুর নিয়ে তুলকালাম


নিউজ ডেস্ক
১২:৪৭ - বুধবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২
শেরপুরে মৃত কুকুর নিয়ে তুলকালাম

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে মৃত কুকুরকে মাটি চাপা দেওয়া নিয়ে তুলকালাম কাণ্ড ঘটেছে। জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের বিরোধের জেরে ছোট ভাইকে হত্যা করতে মৃত কুকুরকে মাটি চাপা দিয়ে কালাযাদু করা হয়েছে বলে অভিযোগ বড় ভাইয়ের।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানায় নিরাপত্তা চেয়ে লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন ভুক্তভোগী। শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার শেখেরকুড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শেখেরকুড়া গ্রামের আব্দুল খালেক ও আব্দুস সাত্তার আপন দুই ভাই। বড় ভাই সাত্তারের সঙ্গে ছোট ভাই খালেক ও অন্য ছোট ভাইদের জমিজমা নিয়ে পারিবারিক বিরোধ দীর্ঘদিনের। বর্তমানে ছোট ভাই খালেক ঢাকায় থাকেন। ফলে তার বসতবাড়ি পড়ে থাকে।

শুক্রবার খালেকের বাড়িতে তার বোন লাকড়ি কুড়াতে এসে পরিত্যক্ত মাটির ঘরের বারান্দার সামনে কবরের মতো মাটি ভরাট দেখতে পান। এ নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে খবর দেওয়া হয় ঢাকায় বসবাসকারী খালেককে। খবর পেয়ে খালেক ও পরিবারের লোকজন বাড়ি আসে। কবরের রহস্য নিয়ে কথাবার্তার এক পর্যায়ে প্রতিবেশী ও বড় ভাই সাত্তার মৃত কুকুর মাটিচাপা করেছেন বলে জানান। এর পরই শুরু হয় তুলকলাম।

জরুরি সেবা ৯৯৯ ফোন করে পুলিশ ডেকে খোঁড়া হয় কবরের মতো ওই জায়গা। বের করা হয় পুরনো-ফেলনা কাপড় ও জাল দিয়ে পেঁচানো কুকুরের অর্ধগলিত মরদেহ।

এসময় অভিযোগ তোলা হয়, ছোট ভাই খালেককে মেরে ফেলতে বড় ভাই সাত্তার কুকুর মেরে পুঁতে রেখে ‘কালাযাদু’ করেছেন। এ নিয়ে রীতিমতো পারিবারিক ঝগড়া বাধে। শুরু হয় তুলকালাম। পুলিশ ছাড়াও গণমাধ্যমকর্মী এবং শতশত মানুষ ভিড় জমান ওই বাড়িতে।

এদিকে, ‘কালাযাদু’ করা হয়েছে বলে সন্দেহ করায় পারস্পরিক ঝগড়া-বিবাদের ফলে নিজের জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে বড় ভাই সাত্তারের বিরুদ্ধে নালিতাবাড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দেন ছোট ভাই খালেক।

তবে, বড় ভাই সাত্তার ‘কালাযাদু’র অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, ছোট ভাইয়ের বারান্দায় মরা কুকুর পঁচে দুর্ঘন্ধ ছড়ানোয় তিনি বারান্দার সামনেই তা পুঁঁতে রাখেন।

এ ব্যাপারে নালিতাবাড়ী থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুস সালাম  ঢাকা পোস্টকে বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে চুলার পাশে মাটিচাপা দেওয়া কুকুরটি অন্যত্র সরানোর ব্যবস্থা করেছি। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।