ঢাকা শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২২

Popular bangla online news portal

গাইবান্ধার উপনির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত মঙ্গলবসয়


নিউজ ডেস্ক
৪:৩৫ - সোমবার, আগস্ট ২২, ২০২২
গাইবান্ধার উপনির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত মঙ্গলবসয়

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার এবং গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট)। এদিন বিকাল ৩টায় এ বিষয়গুলো নিয়ে কমিশন সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ইসি কর্মকর্তারা বলেন,  আগারগাঁয়ের নির্বাচন ভবনে কমিশন সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভার এজেন্ডায় ইভিএম, গাইবান্ধা-৫ শূন্য আসনে উপনির্বাচন, স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন নির্বাচন ও উপনির্বাচন এবং বিবিধ বিষয়ে আলোচনা করা হবে। 

সম্প্রতি  ইভিএম প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক কর্নেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে ইভিএমে ভোট করতে চাইলে কমিশনকে এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অর্থাৎ নির্বাচনে ইভিএমে ভোট হবে কিনা সে বিষয়ে  সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানিয়েছে ইসি কর্মকর্তারা।

এদিকে, গতকাল নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হবে, তবে কত আসনে হবে সে সিদ্ধান্ত আমরা এখনো নিতে পারিনি। আলোচনা করছি। এই মুহুর্তে ৭০ থেকে ৮০ আসনে ভোট করার সক্ষমতা আছে। আমরা কতগুলোতে পারব সেই সক্ষমতার ওপর নির্ভর করবে। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে ইভিএম নিয়ে সিদ্ধান্ত আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হবে।

এর আগে, ১৭ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ করে কমিশন। এরমধ্যে বিএনপিসহ ৯টি দল সংলাপে অংশ নেয়নি। আগস্টের পরে সংলাপের জন্য সময় দিতে পারবে বলে জানিয়েছে জাতীয় পার্টি-জেপি। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কারণে পরবর্তীতে সময় চেয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি। বাকি ২৮টি দল সংলাপে অংশ নিয়ে কমবেশি ৩০০ সুপারিশ বা প্রস্তাবনা রেখেছে ইসির কাছে। সংলাপে ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে বিপক্ষে মতামত এসেছে। এরমধ্যে সংলাপে অংশ নেওয়া প্রধান দলগুলোর মধ্যে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে মত দিলেও সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি আগামী সংসদ নির্বাচনে যন্ত্রটি ব্যবহার না করতে কমিশনকে অনুরোধ করেছে। 

যে ৯টি দল সংলাপে অংশ নেয়নি:
বাংলাদেশ মুসলীম লীগ-বিএমল, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি- এলডিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি- বিজেপি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি।