পর্যটনসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে সৌদি বিনিয়োগকারীরা প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত এসসা ইউসেফ এসসা আল দুলাইহান ।

বৃহস্পতিবার( ১৮ ফেব্রুয়ারি)  সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলীর সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের পর্যটন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেন সৌদি রাষ্ট্রদূত।

এ সময় সৌদি রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বাংলাদেশ থেকে যাওয়া কর্মীরা দক্ষ ও কর্মনিষ্ঠ। তাদের কাজের দক্ষতায় নিয়োগদাতারা সন্তুষ্ট। ফেরত যেতে না পারা ও নতুন ভিসা প্রাপ্তদের সৌদি আরবে নিয়ে যেতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সৌদি আরবে কর্মরত প্রত্যেক বাংলাদেশি নাগরিককে বিনামূল্যে টিকাদান করা হবে।

বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে সৌদি বিনিয়োগকারীরা প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে আগ্রহী জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, সৌদি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে বিনিয়োগ করতে খুবই আগ্রহী। এছাড়াও এভিয়েশন শিল্পের উন্নয়নে সৌদি আরব বাংলাদেশের সাথে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী।

এ সময় পর্যটন খাতে বিনিয়োগের উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।  প্রতিমন্ত্রী এ সময় বলেন, সৌদি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বাংলাদেশের পর্যটন উন্নয়নে একত্রে কাজ করাটা হবে আনন্দের। একই সঙ্গে আমরা এভিয়েশন শিল্পের উন্নয়নেও একত্রে কাজ করতে পারবো বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

কোভিড-১৯ মহামারীর এই সময়ে সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশী নাগরিকদের দিকে খেয়াল রাখায় সৌদি কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান প্রতিমন্ত্রী।

বর্তমানে বিশেষ ব্যবস্থায় বিমান সৌদি আরবে ফ্লাইট পরিচালনা করছে জানিয়ে বিমানের সিডিউল ফ্লাইট পরিচালানার অনুমোদন ও কোভিড-১৯-এর কারণে সৌদি আরবে ফেরত যেতে না পারা ও নতুন ভিসাপ্রাপ্ত ৮৬ হাজার বাংলাদেশী কর্মীর দ্রুত ফেরত যাওয়ার ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সৌদি রাষ্ট্রদূতকে আহ্বান জানান তিনি।

জবাবে সৌদি রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা সবসময়ই বাংলাদেশের সাথে আমাদের সম্পর্কে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করি। এজন্যই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সৌদি আরবের বিমান যোগাযোগ বন্ধ থাকলেও বাংলাদেশের সঙ্গে তা বন্ধ হয়নি।  সিডিউল ফ্লাইট পরিচালনার অনুমোদন শুরু হলে বাংলাদেশ বিমান প্রথমেই অগ্রাধিকারভিত্তিতে তা পাবে।