ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান বলেন, করোনাকালীন সময়ে উন্নত রাষ্ট্রগুলোতে ঔষধ সংকট দেখা দিলেও আমাদের দেশে কোন ধরণের ঔষধ সংকট ছিল না, এখনো নেই। সংকটময় পরিস্থিতি আমরা দৃঢ়তার সাথে পার করেছি। যখন যে ঔষধ এসেছে আমরা তা তাৎক্ষণিক সরবরাহ করেছি। এমনকি করোনার ভ্যাকসিনও আমরা অনেক দেশের আগে মানুষের মাঝে সরবরাহ করছি।

সোমবার(১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে নাটোর শহরের নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা সরকারী কলেজ মিলনায়তনে বাংলাদেশ মডেল ফার্মেসী ও মডেল মেডিসিন শপের প্রয়োজনীয়তা ও সম্ভাবনা শীর্ষক আলোচনা সভা এবং এ্যাক্রিডিটেশন সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি আরো বলেন, ভালো ঔষধ শুধু তৈরি করলেই হবে না বিপনন ব্যবস্থাপনাও উন্নত করতে হবে। এজন্য সারাদেশে মডেল ফার্মেসী করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এবং তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন , ফার্মাসিস্ট ও লাইসেন্স ছাড়া কোন ঔষধের দোকান চালাতে দেয়া হবে না আপাতত কিছুদিন সময় দেয়া হয়েছে।

বিপিডিএস নাটোর জেলা সভাপতি গোলাম কিবরিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেস ফর হেলথ এর প্রিন্সিপাল টেকনিক্যাল এ্যাডভাইজার ডা. ইফতেখার হাসান খান, ঔষধ প্রশাসন রাজশাহীর বিভাগীয় উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নাঈম গোলজার, নাটোরের সহকারী পরিচালক মাখনুওন তাবাসসুম।

অনুষ্ঠান শেষে সনদ বিতরণ ও একটি ডেমি সফটওয়্যার বিতরণ করেন। এর আগে তিনি শহরের মাদরাসা মোড়ে ৩টি মডেল ফার্মেসীর উদ্বোধন করেন।