১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আমরা স্বাধীনতা অর্জন করলেও আমাদের স্বাধীনতা পূর্ণতা পায়নি। ১৬ ডিসেম্বর সাড়ে সাত কোটি মানুষের কাঙ্ক্ষিত বিজয় অর্জন হয়েছিল কিন্তু স্বাধীনতার পূর্ণতা পায়নি। কারণ তখন পর্যন্ত আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে আমরা ফিরে পাইনি। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ সাল পর্যন্ত সকল বাঙ্গালীর একটাই জিজ্ঞাসা ছিল বঙ্গবন্ধু কোথায় আছেন, কেমন আছেন? আমরা তখনো স্বাধীন হয়েও অনুভব করতে পারিনি স্বাধীনতার স্বাদ। কারণ যিনি আমৃত্যু তাঁর জীবন বাজি রেখেছেন এই স্বাধীনতার জন্য আমাদের স্বাধীনতার মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁকে ছাড়া এই স্বাধীনতা অর্থহীন। বাঙ্গালীর সকল চিন্তা ও উদ্বিগ্নতার অবসান ঘটে ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে। তাই ১০ জানুয়ারি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। ১৯৭২ সালের এই দিনে বাঙ্গালী জাতির অবিসংবাদিত নেতা স্বাধীন বাংলাদেশের মহার স্থপতি পাকিস্তানের কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠ থেকে মুক্তি লাভ করে তাঁর স্বপ্নের স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।

১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক সোহরাওায়ারদী উদ্যানে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে বাঙ্গালীর কাঙ্ক্ষিত বিজয় ঘটে। সেদিন এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ বলেছিলেন, ‘এ বিজয় সেদিন পূর্ণতা পাবে, যেদিন আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্ত স্বদেশে আসবেন।‘ কারণ বঙ্গবন্ধুকে ছাড়া আমাদের স্বাধীনতা অপূর্ণ। তখনো সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালীর স্বাধীনতার স্বাদ অপূর্ণ । কারণ জাতির জনক আমাদের স্বাধীনতার মহানায়ক শেখ মুজিবুর রহমান কে ছাড়া আমরা আমাদের অস্তিত্বকে কল্পনাও করতে পারি না। সারাদেশ থেকে মুক্তিযোদ্ধারা ছুটে আসছে ঢাকার দিকে শুধুমাত্র শেখ মুজিবের আশায়। তাঁদের প্রিয় মুজিব ভাইয়ের আশায়। যার এক ডাকে ছুটে গিয়েছিল স্বাধীনতার জন্য।

পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ১৬ ডিসেম্বর পরাজয় বরণ করে নিলেও বিলম্বিত হয় বঙ্গবন্ধুর মুক্তি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপ ছিল বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দেওয়ার জন্য। ভারত, তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানগণ, জাতিসংঘের মহাসচিব উ থান্ট ও আন্তর্জাতিক আইনজীবী সমিতি পাকিস্তানের কাছে বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবি জানালে পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় । ৪ জানুয়ারি ১৯৭২ করাচীর এক জনসভায় জুলফিকার আলী ভুট্টো বঙ্গবন্ধুকে মুক্তিদানের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন। ৭ জানুয়ারি ১৯৭২ বিকেলে পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিয়ে তাঁর ইচ্ছায় রাতে একটি চার্টার্ড বিমানে করে লন্ডনের উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দেন। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে উক্ত বিমানটি ৮ জানুয়ারি ১৯৭২ সকাল সাড়ে ছয়টায় লন্ডনের হিথরো বিমান বন্দরে পৌঁছে। বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র ও কমনওয়েলথ অফিসের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। বঙ্গবন্ধুকে লন্ডনে হোটেল ক্ল্যারিজে রাখার ব্যবস্থা করা হয়। ঐ দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে লন্ডন থেকে টেলিফোনে বঙ্গবন্ধু কথা বলেন, বেগম মুজিবসহ বাড়িতে উপস্থিত সবার সঙ্গে। সে দিন সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথের সঙ্গে দেখা করেন। ১০ জানুয়ারি (১৯৭২) দুপুরে ব্রিটিশ রাজকীয় বিমান বাহিনীর একটি বিশেষ বিমান ‘কমেট’ বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে দিল্লীর পালাম বিমান বন্দরে অবতরন করে। ওখানে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভি ভি গিরি, প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, তিনবাহিনীর প্রধান, শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ, বৈদেশিক কূটনীতিকবৃন্দ ও হাজার হাজার জনতা বঙ্গবন্ধুকে বিপুলভাবে সংবর্ধনা জানান। অভ্যর্থনা পর্ব শেষে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। উক্ত ভাষণে বঙ্গবন্ধু ভারতের নেতৃবৃন্দ এবং জনগণের কাছে তাদের অকৃপণ সাহায্যের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান। তাঁর এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে আখ্যায়িত করেছিলেন ‘অন্ধকার হতে আলোর পথে যাত্রা হিসেবে।’ দিল্লির ভাষণে বঙ্গবন্ধু আরো বলেছিলেন, ‘আমার মানুষের কাছ থেকে যখন আমাকে ছিনিয়ে নেওয়া হলো, তাঁরা কাঁদছিলেন। আমি যখন কারাগারে, তারা তখন চালিয়েছিল সংগ্রাম। আর আমি যখন ফিরছি, তারা বিজয়ী।

তারপর দিল্লী থেকে ব্রিটিশ ‘কমেট’ বিমানটি রওনা দিয়ে বিকেল তিনটায় ঢাকা তেজগাঁও বিমান বন্দরে অবতরন করে। বিমান বন্দরে সমবেত লাখ লাখ জনতা আনন্দ-উল্লাসে ফেটে পড়ে। ওখানে বিমান থেকে অবতরণের সিঁড়ির মুখে কোন রকমে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে ছিলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যগণ, ছাত্র, যুব, রাজনৈতিকবৃন্দ। বিমানের দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে তোফায়েল আহমদ, শেখ ফজলুল হক মণি, সিরাজুল আলম খান, আবদুর রাজ্জাক, নূরে আলম সিদ্দিকী, আব্দুল কুদ্দুস মাখন, আ স ম আবদুর রব, শাহজাহান সিরাজ প্রমুখ ছাত্র নেতৃবৃন্দ এক এক করে বিমানে উঠে বঙ্গবন্ধুকে জড়িয়ে ধরে তাঁকে মাল্যভূষিত করেন। ঐ সময় বঙ্গবন্ধুসহ সবাই ফুঁপিয়ে কেঁদেছিলেন।

বিমান বন্দর থেকে একটি ডজ ট্রাকে বঙ্গবন্ধুকে রেসকোর্স ময়দানে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমদ, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী, এ এইচ এম কামরুজ্জামান, খন্দকার মোশতাক আহমদ, ড. কামাল হোসেন ও ছাত্রনেতাসহ পঁচিশ জনের মতো ট্রাকের উপর বঙ্গবন্ধুকে ঘিরে ছিলেন। লোকের প্রচন্ড ভিড়ে গাড়িটি অতি মন্থর গতিতে চলছিল। তখন চারদিকে হৃদয়ের গভীর থেকে জনতার আনন্দ ও উচ্ছাস-উল্লাসের শুভাশীষ ধ্বনি ‘জয় বঙ্গবন্ধু, জয় বাংলা’ শোনা যাচ্ছিল। তেজগাঁও বিমান বন্দর থেকে রেসকোর্স ময়দান পর্যন্ত এতটুকু রাস্তা যেতে প্রায় দুই ঘন্টা সময় লেগে যায়। বিকেল পৌনে পাঁচটায় বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানে জনসভাস্থলে পৌঁছেন।

সেদিন সবার ভেতর ছিল বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাস, বিজয়ের আনন্দ, বঙ্গবন্ধু কে ফিরে পাওয়ার আনন্দ এবং আমাদের বিজয়ের পূর্ণতা। এটি ছিল আমাদের সত্যিকারের বিজয় ও বিজয়ের আনন্দ। ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ বিজয় উল্লাসে মেতে উঠেছিল গোটা জাতি। “স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ের সঙ্গে ক্যালেন্ডারের পাতায় কয়েকটি তারিখ পৃথক বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়ে আছে। এর একটি ১০ জানুয়ারি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানি কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে তাঁর স্বপ্নের স্বাধীন শত্রুমুক্ত স্বদেশের মাটিতে ফিরে এসেছিলেন ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি।“ [এইচ টি ইমাম-স্বধীনতা ও বঙ্গবন্ধু প্রাসঙ্গিক ভাবনা-১৬৯]

বঙ্গবন্ধু উক্ত ভাষণে প্রথমে শ্রদ্ধার সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত সকল শহীদদের স্মরণ করেন এরপর ভারতসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মুক্তিযুদ্ধে আমাদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। বিশাল জনসমুদ্রের সামনে দাঁড়িয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন বঙ্গবন্ধু, নাতিদীর্ঘ ভাষনে জাতিকে দেন দিক নির্দেশনা। রমনা রেসকোর্স ময়দানের ভাষনে তিনি স্পষ্টভাবে পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনারা সুখে থাকুন। আপনাদের সঙ্গে আর না। বাংলাদেশ স্বধীনতা অর্জন করেছে।‘ তিনি আরো বলেন, ‘তবে মনে রাখা উচিত বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র।বাংলাদেশ স্বাধীন থাকবে, বাংলাদেশকে কেউ দমাতে পারবে না। বাংলাদেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করে লাভ নাই। আমি যাবার আগে বলেছিলাম ও বাঙালি এবার তোমাদের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম আমি বলেছিলাম ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল তোমরা ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তুলে সংগ্রাম করছো আমি আমার সহকর্মীদের মোবারক বাদ জানাই। আমার বহু ভাই বহু কর্মী আমার বহু মা-বোন আজ দুনিয়ায় নাই তাদের আমি দেখবো না।‘

১০ জানুয়ারি, বঙ্গবন্ধুর দেশে ফেরার দিন সারা দেশে আনন্দের জোয়ার বইছিল। ঢাকার রাজপথ ছিল লোকে লোকারণ্য। কেউ বিমানবন্দরে গিয়েছেন তাঁদের প্রিয় নেতাকে একবার দেখতে, কেউ রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে স্লোগান দিয়েছেন ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, কেউবা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গিয়েছেন তাঁর ভাষণ শুনতে। এই উদ্যানেই তিনি ১০ মাস আগে একাত্তরের ৭ মার্চ ঘোষণা দিয়েছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ ১০ জানুয়ারির ভাষণে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘আমার জীবনের সাধ আজ পূর্ণ হয়েছে। আমার বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। বাংলাদেশ আজ স্বাধীন।’

টাইম ম্যাগাজিন ১৯৭২ সালের ১৫ জানুয়ারির সংখ্যায় বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে বলে, গত অর্ধশতাব্দীতে মহাত্মা গান্ধী, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জওহরলাল নেহরু প্রমুখ উপমহাদেশের ইতিহাসে ব্যাপক প্রভাবসঞ্চারী নেতা হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন; তাঁদের সঙ্গে যুক্ত হলো আরেকটি নাম: শেখ মুজিবুর রহমান।

রবীন্দ্রনাথের ভাষায় বলতে হয়,

অসতো মা সদ্গময়, তমসো মা জ্যোতির্গময়…
রুদ্র যত্তে দক্ষিণং মুখং তেন মাং পাহি নিত্যম৷

অর্থাৎ, হে সত্য, সমস্ত অসত্য হতে আমাকে তোমার মধ্যে নিয়ে যাও;

হে প্রকাশ, তুমি একবার আমার হও, আমাতে তোমার প্রকাশ পূর্ণ হোক ।

১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালের পর থেকে বঙ্গবন্ধু ছিলেন সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালীর প্রার্থনায়, আশায়, আকাঙ্ক্ষায়, চরম চাওয়ায়। সবার একটি চাওয়া ছিল বঙ্গবন্ধু কে ফিরে পাওয়া। বঙ্গন্ধু বিহীন বাংলার স্বাধীনতা কাউকে পূর্ণতা দিতে পারে নি। ২১ ডিসেম্বর ১৯৭১ গার্ডিয়ান তাদের সম্পাদকীয়তে লেখে, ‘ঢাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থির অবনতি ঘটছে। কেবল শেখ মুজিবুর রহমান এই অবনতি রোধ করতে পারেন। তাঁকে মুক্তি দেওয়ার ব্যাপারে এক দিনও দেরি করা ঠিক হবে না।‘ গার্ডিয়ান ৪ জানুয়ারি সংখ্যায় আরো লেখে, ‘শেখ মুজিবকে হত্যা করা বা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্দী রাখা হলে বাংলাদেশের সরকার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই মারাত্নক নেতৃত্বসংকটের মুখোমুখি হতো। তাঁর মুক্তি বাংলাদেশকে বাঁচার একটি সুযোগ এনে দিয়েছে।‘ ১০ জানুয়ারি আমাদের মুক্তির স্বাদ এনে দিয়েছে, আমাদের প্রকৃত স্বাধীনতা ফিরে এসেছে, আমাদের মুক্তির স্বাদ পূর্ণতা পেয়েছে। তোফায়েল আহমেদের ভাষায় ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলার মানুষ বিজয়ের পরিপূর্ণতা অর্জন করে। যদিও ’৭১-এর ষোলোই ডিসেম্বর বাংলাদেশ হানাদার মুক্ত হয়। কিন্তু বাংলার মানুষ স্বাধীনতার স্বাদ পায়নি। কারণ, যার নেতৃত্বে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ, তিনি তখনও কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দী। যতক্ষণ মহান নেতা ফিরে না এসেছেন, ততক্ষণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরিপূর্ণতা লাভ করতে পারেনি।‘

লেখকঃ খাজা খায়ের সুজন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ নেতা।