ঠাকুরগাঁওয়ে জামাই পশির উদ্দিনকে (২৯) হত্যা মামলার রায়ে শ্বশুর নুরুল হককে (৬০) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে শাশুড়ি মাজেদা বেগম (৫৫), স্ত্রী নার্গিস বেগম (৩২) ও শ্যালক মাজেদুল হককে (৩০) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
সেই সঙ্গে এদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত মাজেদুল পলাতক রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বিএম তারিকুল কবীর এ রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুল হামিদ।
দণ্ডিতদের বাড়ি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামে। মামলার আরেক আসামি শাপলা বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুল হামিদ বলেন, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের নুরুল হকের বড় মেয়ে সাহেরা খাতুন নিজ বাড়িতে খুন হয়। এ ঘটনায় ছোট মেয়ের জামাই পশির উদ্দিনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়।
ওই মামলায় গ্রেফতার হয়ে ছয় মাস হাজতে থাকার পর জামিনে মুক্ত হয়ে বাসায় যান পশির। ২০১১ সালের ১২ আগস্ট স্ত্রী নার্গিস বেগম স্বামী পশিরকে বাড়িতে ডেকে নেন। বাড়িতে ডেকে তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পশিরের বাবা হত্যা মামলা করেন। মামলার রায়ে শ্বশুর নুরুল হককে মৃত্যুদণ্ড, শাশুড়ি মাজেদা বেগম, স্ত্রী নার্গিস বেগম ও শ্যালক মাজেদুল হককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।