কিছু কথা না বললেই নয় ধর্ষকের কোন দল নেই, কোন ধর্ম নেই, কোন আদর্শও নেই, ধর্ষক শুধু মাত্রই ধর্ষক। কারন তারা যদি কোন দল, ধর্ম কিংবা আদর্শ ধারণ করতো তাহলে তারা ধর্ষক হতো না। কোন দল, ধর্ম বা আদর্শেই ধর্ষণে উদ্বুদ্ধ করা হয়নি। তাই এই বিষয়টি নিয়ে কাঁদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করুন, আসুন আমরা নিজেরা নিজেদের জায়গা থেকে ধর্ষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হই, দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলি। কবি নজরুলের সেই কবিতাটি হয়তো সবারই মনে আছে–
আমরা যদি না জাগি মা কেমনে সকাল হবে? তোমার ছেলে উঠলে গো মা রাত পোহাবে তবে!’
ঠিক তেমনি আমরা যদি নিজেদের অবস্থান থেকে ধর্ষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হই, তাহলে কখনোই এই সমাজ থেকে ধর্ষণের মত জঘন্য অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব না। সেই সাথে ধর্ষক ও নারী নির্যাতনের সাথে জড়িতদের কঠিন শাস্তির বিধান রাখতে হবে। তারা যেন আইনের ফাঁক-ফোকর ব্যবহার করে শাস্তি এড়িয়ে যেতে না পারে সে বিষয়টিও মনে রাখা জরুরি। তবেই আমাদের মাতৃভূমি মা বোনদের জন্য নিরাপদ হবে।
মনে রাখতে হবে ৭১ এ আমাদের পূর্ব পুরুষরাই অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিলো দেশকে শত্রু মুক্ত করার জন্য, আজ স্বাধীন দেশে দেলোয়ার বাহিনীদের বিরুদ্ধে আমাদেরই রুখে দাঁড়াতে হবে, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে, নিজেদের অবস্থান থেকে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীকে সহায়তা করতে হবে।
ভুলে গেলে চলবে না আমরাই বাংলাদেশ।
মোঃ জাকারিয়া আল রাব্বি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক ৭১’র চেতনা, সরকারি বাঙলা কলেজ শাখা কার্যনির্বাহী সদস্য, বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতি