রাজধানীর পল্লবী থানায় বোমা বিস্ফোরণে আহত ৫ জনের মধ্যে রিয়াজ নামে এক জনের কবজি কেটে ফেলা হয়েছে। তার বাম হাতের কবজি বিস্ফোরণে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যাওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের সময় তা কেটে ফেলা হয়। তার অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক।

বুধবার (২৯ জুলাই) ঢামেকের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. মোহাম্মদ আলাউদ্দিন এ তথ্য জানান।

ডা. মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, পল্লবী থানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় আহত ৫ জন হাসপাতালে এসেছিল। এর মধ্যে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছে। একজনকে চক্ষু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তা রুমি ও সিভিল রিয়াজকে ভর্তি রাখা হয়েছে। রিয়াজের বাম হাতের কবজি কেটে ফেলা হয়েছে। এছাড়া তার ডান হাতের একটি আঙুল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেটিও রাখা যায়নি। তার পেটে বড় ধরনের ইনজুরি আছে। আর পুলিশ কর্মকর্তা রুমির পায়ে ও হাতে ইনজুরি আছে।

তিনি বলেন, তারা সবাই স্প্লিন্টারের আঘাতে আহত হয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিসি-মিডিয়া) ওয়ালিদ হোসেন জানান, আহত রিয়াজ পল্লবী থানায় সিভিল হিসেবে কাজ করত।

জানা যায়, একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও চারটি ককটেলসহ মঙ্গলবার একজন সন্ত্রাসীকে আটক করে থানায় আনা হয়েছিল। ওই সন্ত্রাসীর সঙ্গে থাকা ককটেলগুলো ডিফিউজ করতে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে কল করা হয়। ককটেল ডিফিউজ করতে গিয়ে বিস্ফোরিত হয়ে পাঁচ জন আহত হয়েছে।

 

ডিএমপির উপ-কমিশনার (মিডিয়া) ওয়ালিদ হোসেন বলেন, আটক হওয়া সন্ত্রাসীরা ভাড়াটে খুনি। পুলিশের কাছে তথ্য ছিল তারা পল্লবীর স্থানীয় একজন রাজনৈতিক নেতাকে হত্যা করবে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের পর বিষয়গুলো পরিষ্কার হবে।