সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাউকে বন্ধু হিসেবে যোগ করার খুবই সাধারণ ঘটনা। তবে কাউকে বন্ধু করার ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। কারণ ফেসবুক বর্তমানে ব‍্যক্তিগত ভার্চুয়াল ডায়েরিতে পরিণত হয়েছে।

যা চিনলে রিকোয়েস্ট পাঠাবেন না

যারা সচেতন, তারা অপরিচিত কাউকে রিকোয়েস্ট পাঠান না। এমনকি গ্রহণও করেন না। অপরিচিত মানুষকে রিকোয়েস্ট পাঠালে অনেকেই বিরক্ত হতে পারেন। তাই শুধু চেনা মানুষকে রিকোয়েস্ট পাঠানোই বুদ্ধিমানের কাজ।

রিকোয়েস্ট পাঠানোর কারণ

কোনো মানুষ কী কারণে রিকোয়েস্ট পাঠাচ্ছেন তাও খেয়াল রাখতে হবে। অনেক মানুষকেই আপনি চিনে থাকতে পারেন কিন্তু তারাও যে আপনাকে চিনতে পারবে এমন কোনো কথা নেই। এরূপ ক্ষেত্রে যে কারণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন তা জানিয়ে একটি বার্তাও পাঠাতে পারেন। এতে ব্যক্তিটি বুঝতে পারবেন কেন তাকে রিকোয়েস্ট পাঠানো হয়েছে।

বন্ধু হওয়ার আবেদন গ্রহণ

ভার্চুয়াল জগত অনেক অচেনা মানুষই আপনার বন্ধু হতে রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারে। সবার উদ্দেশ্য ভালো হবে এমন নিশ্চয়তা নেই। সুতরাং ফেসবুকে কারো বন্ধু হওয়ার আবেদন গ্রহণ করার আগে তার প্রোফাইলটি ভালো করে দেখে নিয়ে যাচাই-বাচাই করা উচিত।

খেয়াল রাখা বন্ধুদের সঙ্গে কি কি শেয়ার করবেন?

সামাজিক যোগাযোগ মাধ‍্যম এখন যেন ব‍্যক্তিগত ডায়েরি হয়ে গেছে। প্রতি মুহূর্তে ব‍্যক্তিগত জীবনের অনেক তথ্য, স্মৃতি ও ছবিসহ অনেক কিছুই শেয়ার করা হয় ফেসবুকে। তাই আপনার একান্ত ব‍্যক্তিগত কোনো পোস্ট অচেনার বন্ধুদেরকে দেখাতে চান কি-না তা ভেবে দেখে তারপর সবকিছু শেয়ার করা উচিত।