নিজস্ব অর্থায়নে তৈরিকৃত “হ্যান্ড স্যানিটাইজার” তিতুমীর কলেজের কর্মচারী, কলেজের আশে পাশের দোকানদার,শ্রমিক ও রিক্সাচালক সহ সাধারন মানুষের মাঝে বিতারন এবং সাধরন মানুষকে করোনা রোধে কী কী করনীয় সে ব্যাপারে সচেতন করলো তিতুমীর কলেজ বাঁধন ইউনেটর সদস্যরা।

২২ মার্চ রবিবার বেলা ১ টা থেকে ৪ টা পর্যন্ত নিজস্ব অর্থায়নে বাধন অফিসে ৫০মি.লি. প্রায় দুইশতাধিক বোতল হ্যান্ড স্যানিটাজার তৈরি করেন সরকারি তিতুমীর কলেজ বাধন ইউনিটের কর্মীরা ।
পরে বিকেলে এগুলো সাধারণ মানুষের মাঝে বিতরণ করেন বাঁধন কর্মীরা।এই হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন ‘বাঁধন’ সরকারি তিতুমীর কলেজ শাখার উপদেষ্টা শাহাবুদ্দিন বাবু, সাবেক সভাপতি সানজিদা আফরোজ সোনিয়া, তথ্য ও শিক্ষা সম্পাদক সুমাইয়া সিদ্দিকা শান্তনা সহ বাঁধনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীরা।

‘বাঁধন’ সরকারি তিতুমীর কলেজ শাখার সহ-সভাপতি আফরোজা আক্তার তন্নি জানায়, “আমরা ৫০ মি.লি. এর প্রায় দুইশতাধিক বোতলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রস্তুত করে তা কলেজের স্টাফ, কলেজের সামনে ছোট দোকান গুলোর দোকানদার, রিকশাচালক, সিএনজি চালক, মিস্ত্রি এবং সিকিউরিটি গার্ডদের মধ্যে বিতরণ করি। এছাড়াও ১৫টি স্যানিটাইজার কলেজে অবস্থিত মসজিদে দেয়া হয় জন – সাধারণদের জন্য।”

বাঁধন তিতুমীর কলেজ ইউনিটের উপদেষ্টা মো. শাহাবুদ্দিন বাবু বলেন, ‘বাঁধন সবসময় মানবতার কাজে নিয়োজিত থাকে। দেশের এ ক্রান্তিলগ্নে আমরা দরিদ্র মানুষের মাঝে বিনামূল্যে হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহ এবং তাদের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য সচেতন করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাঁধন সাধারণ শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত হয়। তাই আমাদের কার্যক্রম সীমিত পরিসরে করতে হয়েছে। প্রশাসনিক সহায়তা পেলে এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও করা হবে।’

বাঁধনের সাবেক সভাপতি সানজিদা আফরোজ সোনিয়া বলেন, ‘অনেক মানুষ করোনা ভাইরাস সম্পর্কে জানেই না। আমরা স্যানিটাইজার বিতরণের পাশাপাশি তাদের এ ব্যাপারে সচেতন করেছি। তারা এটা খুব পজেটিভলি নিয়েছে। সবাই যদি এভাবে যারা এ বিষয়ে অজ্ঞ তাদের বিষয়টির ব্যাপারে সচেতন করে তাহলে আমরা এই সংকট মোকাবিলা করতে পারব।’

উল্লেখ্য, এর আগে করোনা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্যাম্পাসে লিফলেট লাগিয়ে প্রচারণা চালায় বাঁধন সরকারি তিতুমীর কলেজ ইউনিট।