সম্প্রতি চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান থেকে উদ্ভব হয় প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের। যা পুরো বিশ্বে বিস্তার করেছে।

ইতোমধ্যে বাংলাদেশেও রেহায় পাইনি এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে। যার ফলাফল ২৭ জন আক্রান্ত এবং ২জন মৃত। প্রশাসন এই ভাইরাস ছড়ানো ঠেকাতে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে গত ১৭ই মার্চ।এছাড়া সরকার মোবাইলে ম্যাসেজ প্রদান এবং টিভিতে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আমজনতার মাঝে তৈরি করছে জনসচেতনতা। কিন্তু তবুও সাধারণ মানুষ হচ্ছেন না সচেতন।

গলির মোড় কিংবা চায়ের দোকানে জমছে জনসমাগম। এক কাপে চা খাচ্ছে একাধিক লোক।হোটেলগুলো গ্লাভবিহীন হাতে করছে খাবার পরিবেশন।

সোহেল নামক এক লোক বললেন, প্রতিনিয়ত খবর দেখছি কিন্তু সেভাবে নিয়মগুলো মানছি না। কিংবা মানা হয়েও উঠছে না। আমরা অনেকেই জিবনের তাগিদেও বাহিরে যাই।

চা বিক্রেতা নয়ন মিয়া বললেন, সাবান দিয়া হাত ধুইয়া কাম করতাছি।আমি জীবাণু মুক্ত ।

গার্মেন্টস কর্মী দিপা বললেন,বাংলাদেশে এই ভাইরাস টাইরাস কিছু করতে পারবো না।

যদিও বাংলাদেশে করোনা মোকাবেলায় সরকার অনেক পদক্ষেপ নিচ্ছে। তবুও মিলছে না বাস্তবিক চিত্র। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে হলে সকলকে হতে হবে সচেতন এবং নিতে হবে কার্যকর ব্যবস্থা।